
মোহাম্মদ মাসুদ
দেশ বিশ্ব বরেণ্য দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের অকৃত্রিম বন্ধু ও দেশবরেণ্য নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায়। খালেদা জিয়া স্মৃতিচারণ ও স্মরণে বাংলাদেশ নাগরিক সমাজ ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থার যৌথ আয়োজনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা। জাতীয় প্রতীক দলমত নির্বিশেষে সকল মতআদর্শের ঊর্ধ্বে। গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় আপসহীন ছিলেন খালেদা জিয়া। তিনি সর্বদলীয় সবার মাঝে বেঁচে থাকবেন কর্মগুনে। স্মরণকালের স্মরণীয় হয়ে থাকবেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম। তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকারে বিষ প্রয়োগে মেরেছেন বক্তব্যে দাবী জানান। গণতন্ত্র গণধিকার দেশ রক্ষায় জীবন ঝুঁকিসত্ত্বেও আপসহীন খালেদা জিয়া।
সভাপতি ও প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে নগরীর আজাদী গলি বৈঠকখানা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকারে বিষ প্রয়োগে স্লো পয়জনে মেরেছেন স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার। বক্তব্যে হত্যা হত্যাকারীদের বিচারের দাবী জানান। গণতন্ত্র গণধিকার দেশ রক্ষায় জীবন ঝুঁকিসত্ত্বেও আপসহীন ছিলেন খালেদা জিয়া।
তিনি ছিলেন ছিলেন গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। দেশ ও রাষ্ট্রের সংকটময় মুহূর্তে তিনি কখনো আপস করেননি। তার ত্যাগ, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দেশপ্রেম আজও আমাদের পথ দেখায়। সেই আদর্শকে ধারণ করেই তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম এগিয়ে চলছে। বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও সাংবাদিকদের অকৃত্রিম বন্ধু মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা। জাতীয় প্রতীক দলমত নির্বিশেষে সকল মতআদর্শের ঊর্ধ্বে। “বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের অভিভাবক। তিনি সকল দল-মতের ঊর্ধ্বে। রাজনৈতিক উত্তরাধিকার আর জন্মসূত্রের উত্তরাধিকার এক নয়। রাজনৈতিক দল কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের একক সম্পত্তি নয়—এখানে সবাই সমান অধিকার নিয়ে রাজনৈতিক সন্তান।” রতিনি আরও বলেন, মরহুমা খালেদা জিয়া তার শাসনামলে সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, যা আজও প্রশংসনীয়।
চসাসের সাধারণ সম্পাদক ওসমান এহতেসামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাবেক কাউন্সিলর ইয়াছিন চৌধুরী আছু, সাবেক কাউন্সিলর আবদুল মালেক, সিনিয়র শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম, বানাসের সমন্বয়ক মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী এবং সমাজকর্মী মো. জাহেদ হোসেন খান। এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কার্যনির্বাহী সদস্য প্রণবরাজ বড়ুয়া ও জাহাঙ্গীর আলম।
এসময় বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, পেশাজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক রোকসারুল ইসলাম, মোহাম্মদ. মাসুদ, ইমাম হোসেন জীবন, মোঃ ওমর ফারুক, আনিছুর রহমান, আলতাফ হোসেন, তুষার দাস, মো. সেলিম রেজা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দিদারুল আলম, মোঃ সোহেলসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি আবু সুফিয়ান ও স্মরণসভার সভাপতিকে চসাসের উপদেষ্টা হিসেবে চিঠি প্রদান করা হলে তারা সম্মতি প্রদান করেন।
">
Leave a Reply