
ডেক্স নিউজ
চট্টগ্রামে নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে সহিংসতা, বিএনপি–জামায়াতের ৯ নেতাকর্মী আহত। চট্টগ্রামের দুই সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে পৃথক দুটি সহিংসতার ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর অন্তত ৯ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম-১৫(সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনের সাতকানিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছমদরপাড়ার একটি গলিতে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণাকালে প্রথম সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপিকর্মী শামসুল আলম (৬১) ও মো. দেলোয়ার হোসেন (৪৫) আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিনের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানোর সময় জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা বাধা দিলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন গণমাধ্যমকে বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে ব্যানার টানানোর সময় এ ধরনের হামলা নির্বাচনী পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ তারেক হোছাঈন গণমাধ্যমকে বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কোনো কর্মী বা সমর্থক জড়িত নন। এটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল হতে পারে।”
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হক জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে শুনেছেন, তবে এখন পর্যন্ত থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে, একইদিন রাতে চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানাধীন আমবাগান রেলগেট এলাকায় চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর নির্বাচনী গণসংযোগে হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে জামায়াতের অন্তত সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন গোলাম মঞ্জুর মোরশেদ, বারাকাত উল্লাহ, এরশাদ উল্লাহ, মো. বাহার, জসিম উদ্দিন, মহিবুল্লাহ ও মো. আরিফ। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে নগরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
জামায়াত নেতারা জানান, নিয়মিত প্রচারণার অংশ হিসেবে গণসংযোগ চলাকালে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়।
জামায়াত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী অভিযোগ করে বলেন, “স্থানীয় বিএনপির কর্মীরাই পরিকল্পিতভাবে আমাদের শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে। হামলার সময় মোবাইল ফোন, হ্যান্ডমাইক ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
">
Leave a Reply